আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু ঘিরে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, রাস্তাঘাটে যারা কোরবানির গরু বা পশু নিয়ে যাওয়া-নিয়ে আসা করবে, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটবে না, এবং ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেগুলো কঠোর হাতে দমন করবে।
বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলীতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গাবতলী পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা এবং গাবতলী বাস টার্মিনালে প্রবেশে নতুন সড়কের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।
কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত স্থানের বাইরে যত্রতত্র পশুর হাট বসানো যাবে না জানিয়ে শাহে আলম বলেন, এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দুই সিটি করপোরেশন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই হাটে পশু কেনা-বেচা, নিয়ে যাওয়া-আসা নিয়ে একটি বড় ধরনের যানজটের তৈরি হয়। ফলে ঢাকা থেকে শহর বা গ্রামমুখী মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। গাড়ির শিডিউলসহ সব জায়গায় বিঘ্ন তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, হাটে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে এবং রাস্তায় কোনো যানজট না হয়, এই বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে একটি নতুন রাস্তা হচ্ছে। এই রাস্তার নির্মাণকাজ আগামী দু-একদিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এটি একটি বাইপাস বা সার্ভিস রোড। এই রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলে গাবতলী-আমিন বাজারের যানজট অনেকাংশে কমে যাবে বলে আমরা মনে করি।
এ সময় তিনি জানান, পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাব (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে—বিজিবিও (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হবে বলে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শাহে আলম বলেন, অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনা ঘটে। গাবতলী হাটে ১ লাখ গরু আসবে, কোনো কারণে ১ লাখ ৩ হাজার গরু আসলো; গরু যারা ক্রয়-বিক্রয় করেন, তারা তো আমাদের কাছে আগে বলেন না যে, কত গরু নিয়ে আসবেন।
সরকার এই বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করবে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, এইটুকু বলতে পারি যে, সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে না রেখে, আরামদায়ক করার জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থাপনা দরকার, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মন্ত্রী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসক—আমরা কাজ করছি। মানুষের সুবিধার জন্য, জনগণের সুবিধার জন্য আমরা সব সময় মাঠে থাকবো।


